,
শিরোনাম
সুনামগঞ্জ জেলা অটো টেম্পু অটো রিস্কা ইউনিয়ন কলকলিয়া পয়েন্ট উপ কমিটির শপথ গ্রহন জগন্নাথপুরের কলকলিয়ায় হকস্ হোসাইন এন্ড সন্স ফাউন্ডেশন এর অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন মরহুম মোঃ মন্তাজুর রহমান কল্যান ট্রাস্টের অর্থায়নে ও মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান পরিষদের উদ‌্যোগে মেধাবৃত্তি বিতরন বেফাস কথাবার্তা না বলে মানুষের কষ্ট বুজার চেষ্টা করুন : আলহাজ্ব মাওলানা রেজাউল করিম জালালী ছাতকে ইসলাম ধর্মের বিয়ে নিয়ে ফেইসবুকে অশালীন কমেন্ট করায় হিন্দু যুবক আটক প্রিয়জন ফাউন্ডেশনের উদ‌্যোগে সুন্নতে খৎনা ক‌্যাম্প সম্পন্ন জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আটপাড়া সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা জগন্নাথপুরে ৪ দিন ধরে মাদ্রাসা ছাত্রী নিখোঁজ বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিতে না পেরে’ পদ্মা সেতু থেকে লাফ জগন্নাথপুরের আটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শোকাবহ ১৫ই আগষ্ট ও জাতীয় শোক দিবস পালন

প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘন: নির্বিকার উপজেলা নির্বাচন কমিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক:- স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ‘ফ্রি স্টাইলে’ চলছে আচরণবিধি লঙ্ঘন। কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছেন না প্রার্থীরা। প্রার্থীদের গণসংযোগ থেকে পোস্টারিং কিংবা মাইকিং সব ক্ষেত্রেই আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাচন কমিশনের (ইসি’র) সংশ্লিষ্টরা যেন এক রকম নির্বিকার। গণসংযোগের ৫ দিন পেরিয়ে গেলেও ইসির তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। তাদের এমন ভূমিকায় আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। যদিও এসব দেখার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে রয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে তাদের তেমন তৎপরতা নেই বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। তবে প্রার্থীদের দাবি তারা আচরণবিধি মেনেই গণসংযোগ চালাচ্ছেন।

এভাবে চলতে থাকলে সামনে নির্বাচনী পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে পরিস্থিতি- এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।

আচরণবিধির ৮-এ উল্লেখ আছে, প্রার্থীদের পোস্টার সাদাকালো হতে হবে এবং এর আয়তন ৬০ বাই ৪০ সেন্টিমিটারের অধিক হতে পারবে না। কিন্তু অনেক প্রার্থীই এ বিধি মানছেন না। নির্ধারিত আয়তনের পাশাপাশি অনেকে বড় আকারের ব্যানার ফেস্টুনও টানিয়েছেন।

আচরণবিধির ১৬-এর (ঘ)-তে বলা হয়েছে, কোনো সড়ক কিংবা জনগণের চলাচল ও সাধারণ ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত স্থানে নির্বাচনী ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন করিতে পারবে না। কিন্তু বাস্তব চিত্র পুরো উল্টো। এসব নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বেশির ভাগ প্রার্থীরা ফুটপাত, অনেক জায়গায় রাস্তা দখল করে নির্বাচনী পোষ্টার সাটানোর কাজ করেছেন।

আচরণবিধির ২০-এ বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী বা তাহার পক্ষে কোনো রাজনৈতিক দল, অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা অন্য কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন না। এ বিধিও মানছেন না প্রার্থীরা। শুক্রবার জুমার নামাজের শেষে প্রায় প্রত্যেক প্রার্থীই মসজিদেরর ভেতরে প্রচার চালান। ভোটারদের সঙ্গে কোলাকুলিসহ তাদের কাছে ভোট চান। আচরণবিধিতে দুপুর ২টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করা যাবে বলে উল্লেখ আছে। শুধু তাই নয়, রাত আটটার পর কোনো প্রার্থী গণসংযোগও চালাতে পারবেন না। কিন্তু উপজেলার প্রত‌্যেক ইউনিয়নের অনেক স্থানে দেখা যাচ্ছে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মাইক বাজানো হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রচারও চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। এছাড়া প্রচারে মোটরসাইকেল ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও তাও মানছেন না অনেকে।

     More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

 

 

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৫:১০
  • দুপুর ১১:৫১
  • বিকাল ৩:৩৫
  • সন্ধ্যা ৫:১৪
  • রাত ৬:৩২
  • ভোর ৬:২৪